চবিতে ‘ক্লিন ক্যাম্পাস ডে’ পালিত : পরিবেশ সুরক্ষায় শিক্ষার্থীদের অংশের
- আপডেট সময় : ০৪:৪৬:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫ ১৫ বার পড়া হয়েছে

সৌরভ হাসান চবি প্রতিনিধি
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু), চবি প্রশাসন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিয়াশীল ও পরিবেশবাদী প্রায় ০৭ টি সংগঠনের সমন্বয়ে রবিবার (৩০ ডিসেম্বর) অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ক্লিন ক্যাম্পাস ডে’ কর্মসূচি। শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য। এতে উপস্থিত ছিলেন চাকসুর প্রতিনিধিরা, বিভিন্ন সংগঠনের নেতা-কর্মী এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
প্রায় ১২টি দলে বিভক্ত হয়ে অংশগ্রহণকারীরা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন পয়েন্টে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালান। কোথাও ঝাড়ু, কোথাও প্লাস্টিক-বোতল সংগ্রহ—এক কথায় পুরো ক্যাম্পাসজুড়ে চলে ব্যাপক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান।
বুদ্ধিজীবী চত্বরে সরাসরি পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইয়াহইয়া আখতার এবং প্রশাসনিক উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. কামাল উদ্দীন।
চবি গ্রীন ভয়েস শাখার সভাপতি অনিক সরকার বলেন “পরিচ্ছন্ন ক্যাম্পাস শুধু সৌন্দর্যের জন্য নয়, বরং স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার অপরিহার্য অংশ। আমরা চাই শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে পরিবেশবান্ধব আচরণের একটি স্থায়ী সংস্কৃতি গড়ে উঠুক। এ ধরনের উদ্যোগ আগামীতে আরও ব্যাপকভাবে আয়োজন করা হবে।বিশ্বব্যাপী জলবায়ু সংকটের যে বাস্তবতা, সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসা খুবই জরুরি। ক্যাম্পাসের পরিবেশ রক্ষা আমাদের দায়িত্ব। আজকের কর্মসূচি সেই দায়িত্বশীলতার অংশ হিসেবে চবি শিক্ষার্থীদের একত্রিত করেছে।”
গ্রীন ভয়েস শাখার আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক সৌরভ হাসান বলেন,
“আমরা শুধু পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নয়, বরং পরিবেশবান্ধব ক্যাম্পাস গড়ার জন্য ধারাবাহিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছি। প্লাস্টিক ব্যবহারে সচেতনতা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং বৃক্ষরোপণ—সবখানেই শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করার লক্ষ্য আমাদের।”
অর্থনীতি বিভাগের ২০২৩–২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শামিমা আজাদ মিম বলেন,
“আমি গ্রীন ভয়েসের সদস্য ও সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে ‘ক্লিন ক্যাম্পাস ডে’তে অংশ নিই। বৈশ্বিক উষ্ণতার কারণে জলবায়ু পরিবর্তন যে কত ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে, তা আমরা প্রতিনিয়ত দেখছি। অ্যামাজন বন যেটাকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস, সেটা অক্সিজেন ত্যাগ না করে কার্বন ডাই-অক্সাইড ত্যাগ করতেছে।
জলবায়ু পরিবর্তন রোধে আমাদের প্রত্যেকেরই পরিবেশের প্রতি দায়িত্বশীল হওয়া জরুরি।”
আয়োজকরা জানান, কর্মসূচিটি শুধুমাত্র এক দিনের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম নয়; বরং এটি পরিবেশ সচেতনতা বাড়ানো এবং একটি দীর্ঘমেয়াদি সবুজ ক্যাম্পাস গড়ে তোলার প্রচেষ্টার অংশ। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে এমন কার্যক্রম আয়োজনের পরিকল্পনাও রয়েছে।









