ঢাকা ০৭:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাগেরহাটের রামপালে বিভিন্ন ক্লাবে বিএনপি নেতা ড. ফরিদের ক্রীড়া সমগ্রী বিতরণ ফকিরহাটে বদলির প্রতিবাদে জনতার ঢল—“জনবান্ধব এসিল্যান্ড মেহেদীকে রাখতে চাই” বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় প্রাঙ্গণে মানববন্ধন ফকিরহাটে গ্রেপ্তারের পর অসুস্থ হয়ে সাজাপ্রাপ্ত আসামীর মৃত্যু মুন্সিগঞ্জে জমি ক্রয়-বিক্রয়সহ ভূমি সংক্রান্ত সকল পরামর্শ সার্ভেয়ারের বার্তা জামালপুরের কৃতিসন্তান মানবতার সেবায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মাননা পেলেন পটুয়াখালীতে মানবাধিকার দিবস পালনে বর্ণনাঢ্য রেলি ও পথসভা বাগেরহাটের শরনখোলায় ডু সামথিং ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে কম্বল বিতরন ভূরঙ্গামারী সরকারি কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি মাদারীপুরের রাজৈরে কাভার্ট ভ্যানের চাপায় দুই বন্ধু নিহত বাগেরহাটে ও গাজীপুরে সীমানা নিয়ে হাইকোর্টের রায় বহাল রেখেছে আপিল বিভাগ

নিষেধাজ্ঞা শেষে আবারও সমুদ্রে জেলেদের জাল ফেলা শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ জুন ২০২৫ ৬৯ বার পড়া হয়েছে
Jbangla.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বঙ্গোপসাগরে মাছের প্রজনন, বংশবিস্তারে সহায়তা এবং টেকসই আহরণ নিশ্চিত করতে জারিকৃত ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়েছে। এর ফলে বুধবার (১১ জুন) মধ্যরাত থেকে উপকূলীয় অঞ্চল ভোলা ও আশপাশের জেলার জেলেরা আবারও মাছ ধরার কাজে সমুদ্রে নেমেছেন।

সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গত ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন পর্যন্ত সময়কালে বঙ্গোপসাগরে যেকোনো ধরনের মাছ ধরা, পরিবহন এবং সংরক্ষণ নিষিদ্ধ ছিল। এই নিষেধাজ্ঞার আগে সময়কাল ছিল ৬৫ দিন, যা এবার ৭ দিন কমিয়ে ভারতের নিষেধাজ্ঞা সময়সীমার সঙ্গে সামঞ্জস্য করে ৫৮ দিন নির্ধারণ করা হয়।

ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কুমার দেব জানান, জেলায় সমুদ্রগামী জেলের সংখ্যা প্রায় ৬৫ হাজার। নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন প্রতিজন জেলের জন্য সরকার মাথাপিছু ৭৮ কেজি করে চাল সহায়তা দিয়েছে।

এ সময় সমুদ্রে সরকারি নজরদারিতে ছিল নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও মৎস্য বিভাগের টাস্কফোর্স, যারা নিয়মিত টহল চালিয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য কর্মকর্তা।

নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার খবরে বুধবার সকাল থেকেই জেলেপাড়াগুলোয় প্রাণচাঞ্চল্য দেখা যায়। অনেকে জাল, খাদ্যদ্রব্য ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নিয়ে মাছ ধরার প্রস্তুতি সম্পন্ন করে সমুদ্রের উদ্দেশে রওনা দেন।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সাল থেকে প্রতিবছরই বাংলাদেশ সরকার সমুদ্রের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ট্রলারভিত্তিক মাছ আহরণে মৌসুমি নিষেধাজ্ঞা দিয়ে আসছে। এ ব্যবস্থায় ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে মাছের উৎপাদনে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

নিষেধাজ্ঞা শেষে আবারও সমুদ্রে জেলেদের জাল ফেলা শুরু

আপডেট সময় : ০৭:৩৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ জুন ২০২৫

বঙ্গোপসাগরে মাছের প্রজনন, বংশবিস্তারে সহায়তা এবং টেকসই আহরণ নিশ্চিত করতে জারিকৃত ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়েছে। এর ফলে বুধবার (১১ জুন) মধ্যরাত থেকে উপকূলীয় অঞ্চল ভোলা ও আশপাশের জেলার জেলেরা আবারও মাছ ধরার কাজে সমুদ্রে নেমেছেন।

সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গত ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন পর্যন্ত সময়কালে বঙ্গোপসাগরে যেকোনো ধরনের মাছ ধরা, পরিবহন এবং সংরক্ষণ নিষিদ্ধ ছিল। এই নিষেধাজ্ঞার আগে সময়কাল ছিল ৬৫ দিন, যা এবার ৭ দিন কমিয়ে ভারতের নিষেধাজ্ঞা সময়সীমার সঙ্গে সামঞ্জস্য করে ৫৮ দিন নির্ধারণ করা হয়।

ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কুমার দেব জানান, জেলায় সমুদ্রগামী জেলের সংখ্যা প্রায় ৬৫ হাজার। নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন প্রতিজন জেলের জন্য সরকার মাথাপিছু ৭৮ কেজি করে চাল সহায়তা দিয়েছে।

এ সময় সমুদ্রে সরকারি নজরদারিতে ছিল নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও মৎস্য বিভাগের টাস্কফোর্স, যারা নিয়মিত টহল চালিয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য কর্মকর্তা।

নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার খবরে বুধবার সকাল থেকেই জেলেপাড়াগুলোয় প্রাণচাঞ্চল্য দেখা যায়। অনেকে জাল, খাদ্যদ্রব্য ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নিয়ে মাছ ধরার প্রস্তুতি সম্পন্ন করে সমুদ্রের উদ্দেশে রওনা দেন।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সাল থেকে প্রতিবছরই বাংলাদেশ সরকার সমুদ্রের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ট্রলারভিত্তিক মাছ আহরণে মৌসুমি নিষেধাজ্ঞা দিয়ে আসছে। এ ব্যবস্থায় ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে মাছের উৎপাদনে।