চীনের অর্থায়নে দেওয়া ১ হাজার শয্যার অত্যাধুনিক হাসপাতালের স্থান নিয়ে টানাটানি
- আপডেট সময় : ০৫:১৩:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৫ ৬৪ বার পড়া হয়েছে

নীলফামারী প্রতিনিধি:
সম্প্রতি চীন সরকার বাংলাদেশে এক হাজার শয্যবিশিষ্ট হাসপাতাল নির্মাণের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এর আগে করোনাকালীন ২০১৯-২০ সালের দিকে সৌদি আরব, তুরস্ক ও চীন বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানের হাসপাতাল স্থাপনে বিনিয়োগ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছিল। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে তখন সেসব প্রস্তাব বিবেচনা করা হয়নি। তবে বাংলাদেশ সরকারের প্রধান উপদেষ্টার হাত ধরে নতুন আলোর পথ খুঁজে পেয়েছে বাংলাদেশ। ইউনুস চীন সফরে চীন আবার তাদের আগ্রহের কথা জানায়।
কিন্তু এই হাসপাতালটি কোথায় হবে তা নিয়ে চলছে জল্পনা-কল্পনা, আর স্থান নিধারিত নিয়ে টানাটানি। ইতিমধ্যে দিনাজপুরের বীরগঞ্জ, পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁওয়ের জেলার বাসিন্দা তাদের স্থানে করার জন্য মানববন্ধন সহ সমাবেশ করেন।
তবে চীনের বক্তব্য হচ্ছে এই হাসপাতালটি তিস্তা প্রজেক্টের আশেপাশে হতে হবে। সে হিসাব অনুয়ায়ী স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নুরজাহান বেগম রংপুরের নাম উল্লেখ করেন। ইতিমধ্যে একটি টিম হাসপাতাল তৈরির জন্য মাঠ প্রদর্শন করেন। মহাপরিচালক: অধ্যাপক আবু জাফর বলেন বিভাগীয় কমিশনার ও বিভাগীয় পরিচালককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাদেরকে তিন দিন সময় দেওয়া হয়েছে, ইতিমধ্যে তারা প্রাথমিকভাবে নীলফামারীকে বেঁছে নিয়েছে।
নীলফামারীতে একহাজার শয্যবিশিষ্ট হাসপাতালের খবরের পর থেকেই জেলার মানুষেরা ভাবছেন, এই মেডিকেল এখানে হলে আমাদের পুরো রংপুর বিভাগসহ আশেপাশের মানুষেরাও সেবা পাবে বলে মনে করেছেন।
চীনা প্রকল্পের ১০০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল কেন নীলফামারীতেই হওয়া উচিত?
* চীনা নাগরিক বহুল উত্তরা ইপিজেড থেকে মাত্র ৫ মিনিটের পথ টেক্সটাইল মিল, বিজিবি আঞ্চলিক অফিস (নীলফামারী-সৈয়দপুর-রংপুর) মেইন রোড সংলগ্ন নিষ্কণ্টক মনোরম এবং উপযুক্ত সরকারি পতিত ভূমি।
*সৈয়দপুর বিমানবন্দর থেকেও মাত্র ১০ মিনিটের পথ।
* দারোয়ানী রেলস্টেশন থেকে মাত্র ৫ মিনিটের পথ।
* উত্তরবঙ্গের বাকি জেলাগুলোর সাথে যেমন (পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, রংপুর) সহজসাধ্য যোগাযোগ।
* সরকারি পতিত খাস জমির যথোপযুক্ত ব্যবহার নিশ্চিত (দীর্ঘদিন ধরে টেক্সটাইল কলোনী মাঠটি পতিত অবস্থায় আছে)।
* একেবারে নীলফামারী শহরে না হওয়ায় সৈয়দপুর সহ রংপুর (পাগলাপীর, তারাগঞ্জ) ঠাকুরগাঁও (গড়েয়া) এবং দিনাজপুর (খানসামা) এর আংশিক এলাকার মানুষ সর্বোচ্চ ৩০ মিনিটের ব্যবধানে এই হাসপাতালে পৌঁছাতে পারবে।
* পঞ্চগড় থেকে রংপুর মেডিকেলে না গিয়ে মাত্র ১ ঘন্টার ব্যবধানে মধ্যপথে এই হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নেয়া যাবে।
* জরুরী প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞ দেশী-বিদেশী ডাক্তার মাত্র ১ ঘন্টার ব্যবধানে ঢাকা হতে এই লোকেশনে আসতে পারবেন।
* হাসপাতালটির প্রস্তাবিত অবস্থান অত্যন্ত মনোরম পরিবেশে হওয়ায় তা রোগী, চিকিৎসক সহ দর্শনার্থীদের সহজেই আকর্ষণ করবে।



















